কাপড়: সুতি (Cotton) বা সেমি-সিল্ক ফেব্রিক। সুতা: নকশার জন্য সাধারণ সুতি সুতা এবং সোনালী জরি সুতা। কারুশিল্প: হাতে করা সুক্ষ্ম কাঁথা ফোঁড় বা হস্তশিল্প।
ভিত্তি : সাধারণত সাদা বা হালকা রঙের সুতি (Cotton) বা লিনেন কাপড় ব্যবহার করা হয়েছে। সূচিকর্ম : এটি মূলত হাতের কাজ বা এমব্রয়ডারি। এতে বিভিন্ন রঙের সুতা (Cotton or Silk thread) ব্যবহার করা হয়েছে। নকশা : এতে ট্র্যাডিশনাল বা লোকজ মোটিফ ফুটে উঠেছে। মাঝখানে একটি বৃত্তাকার নকশা এবং চারপাশে লতা-পাতা ও ফুলের মোটিফ রয়েছে, যা অনেকটা নকশী কাঁথা বা লোকশিল্পের…
কাপড়: সাধারণত উন্নত মানের সুতি (Cotton) বা সিল্ক-কটন মিক্স কাপড়ের ওপর এই কাজ করা হয়। সুতা: নকশা ফুটিয়ে তুলতে রঙিন সুতি সুতা (Cotton threads) ব্যবহার করা হয়েছে। সেলাইয়ের ধরন: এতে ঐতিহ্যবাহী রানিং স্টিচ (Running stitch) বা কাঁথা ফোঁড় প্রধানত ব্যবহৃত হয়। নকশা: প্রকৃতি থেকে অনুপ্রাণিত বিভিন্ন ধরণের পাতা, ফুল এবং জ্যামিতিক কারুকাজ।
কাপড়: সাধারণত কয়েক স্তরের সুতির কাপড় (পুরানো শাড়ি বা ধুতি) একসাথে সেলাই করে এটি তৈরি করা হয়। সুতা: রেশমি সুতা অথবা সাধারণ রঙিন সুতি সুতা ব্যবহার করা হয়েছে। সেলাই: এতে প্রধানত সুক্ষ্ম ফোড় বা রানিং স্টিচ ব্যবহার করা হয়েছে, যা কাপড়কে মজবুত ও দৃষ্টিনন্দন করে। নকশা: মাঝখানে গোলাকার মন্ডল বা পদ্ম এবং কোণায় লতা-পাতার কাজ
১. কাপড়: গাঢ় নীল রঙের সুতি বা পপলিন কাপড়। ২. রঙিন সুতা: লাল, হলুদ, সাদা ও সবুজ রঙের সুতি বা রেশমি সুতা। ৩. সুঁই: সেলাই ও নকশা করার জন্য সাধারণ সুঁই। ৪. ডিজাইন: মাঝখানে বড় বৃত্তাকার সূর্যমুখী বা মন্ডলা নকশা এবং চার কোণে ফুলের মোটিফ।